নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা। মরিশাস ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ২,৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি দ্বীপ দেশ। ভারত আর মরিশাস— ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও, এই দুই দেশের আত্মিক টান চিরকালই অটুট। সেই সম্পর্কের শিকড়কে আরও একবার মনে করিয়ে দিতে বুধবার কলকাতার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত হলো এক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘গীত গাওয়াই’– মরিশাসের গিরমিটিয়াদের সুর ও চেতনা।
এই আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন মরিশাসের বিশিষ্ট গবেষক ড. সরিতা বুধু। যার অক্লান্ত পরিশ্রমে মরিশাসের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ‘গীত গাওয়াই’ আজ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। ড. বুধু তুলে ধরলেন সেই ইতিহাস, যখন পূর্ব ভারত থেকে সাধারণ শ্রমিকরা ভাগ্যের অন্বেষণে পাড়ি দিয়েছিলেন মরিশাসে। সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলেন নিজের সংস্কৃতি, যা আজও সেখানে বেঁচে আছে গানের সুরে, প্রাণের স্পন্দনে।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় মরিশাসের অনারারি কনস্যুলেট অফিসের প্রতিনিধি মি. কপিল কাউল এবং আইআইটি খড়গপুর স্টেপ-এর গভর্নিং বডির সদস্য ও অ্যারোরোটার্স এয়ারক্রাফট-এর চেয়ারম্যান মি. বেবেতো আলী।
প্রযুক্তি আর উদ্ভাবনের সাথে সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন সত্যিই প্রশংসনীয়। আইআইটি খড়গপুরের ইনকিউবেটেড স্টার্টআপ ‘অ্যারোরোটার্স’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি যেন আমাদের মনে করিয়ে দিল”…শুধু প্রযুক্তি নয়, সংস্কৃতির প্রতি এই দায়বদ্ধতা সত্যিই অনন্য।

































































































































































































