কুন্তল চক্রবর্তী, বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র (৯৫)-এ সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে দীর্ঘদিনের পোড় খাওয়া ও দক্ষ সাংগঠনিক নেতা দেবর্ষি বিশ্বাসের নাম। ভারতীয় যুব মোর্চা থেকে রাজনৈতিক উত্থান ঘটিয়ে ধারাবাহিকভাবে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দলের সাধারণ কর্মীদের আস্থার প্রতীক। অখণ্ড বারাসাত জেলার যুব মোর্চার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব সামলানোর পর তিনি অখণ্ড বারাসাত সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক হন। পরবর্তীকালে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি হিসেবে সংগঠনকে মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন দেবর্ষি বিশ্বাস। রাজনৈতিক কাজের পাশাপাশি একাধিক সামাজিক আন্দোলনের সামনের সারিতেও তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।
দেবর্ষি বিশ্বাসকে সামনে রেখে ভারতীয় জনতা পার্টির সাধারণ কর্মীদের মধ্যে এক নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, একজন পোড় খাওয়া নেতা ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে আগামী দিনে তিনি যদি বিধায়ক হন, তবে তা সমাজ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের পক্ষে অত্যন্ত মঙ্গলজনক হবে।
স্বচ্ছতা ও সততার প্রশ্নে দেবর্ষি বিশ্বাসের ভূমিকা প্রশ্নাতীত বলেই মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। তাঁদের মতে, এমন সৎ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাকে বিধানসভায় পাঠানো গেলে ৯৫ বনগাঁ উত্তর বিধানসভা আরও সমৃদ্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিনিধিত্ব পাবে। এ বিষয়ে দেবর্ষি বিশ্বাস বলেন,
“সংগঠনের শেষ কথা দল। দল যে দায়িত্ব দেবে, একজন সৈনিক হিসেবে সেই দায়িত্ব মাথা পেতে নিতে আমি প্রস্তুত। দল যে কর্তব্য ও দায়িত্ব দেবে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাব।”
সব মিলিয়ে, বনগাঁ উত্তর বিধানসভায় দেবর্ষি বিশ্বাসকে ঘিরে যে প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

































































































































































































